ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ , ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০২-০৭-২০২৬ ০৪:২৫:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০২-০৭-২০২৬ ০৪:২৫:৩৬ অপরাহ্ন
​পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী ​ছবি: সংগৃহীত
পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের কারণে রেললাইন বা সেতুর নিরাপত্তায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি অনুযায়ীই এই কাজ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনেই পিলারের নিচে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়েছে। বাস্তবে এ কাজের ফলে রেললাইন বা কাঠামোর কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মাটি সরানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মাটি অপসারণকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটি প্রকল্পের নকশা ও চুক্তির অন্তর্ভুক্ত একটি নির্ধারিত কাজ এবং নিরাপত্তার স্বার্থেই তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শেখ রবিউল আলম জানান, ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে যে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, এখন তা পরিকল্পনা অনুযায়ী অপসারণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার এলাকায় মাটি অপসারণ শেষ হয়েছে। বাকি ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশে গড়ে সাড়ে তিন ফুট মাটি সরানো হবে। এতে ভায়াডাক্ট বা রেললাইনের কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না। বরং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

রেলমন্ত্রী বলেন, পুরো অবকাঠামো প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে। এ কাজে সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

এ সময় রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাফি বিন কবির, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ